সবুজাভ মাছরাঙা

সবুজাভ মাছরাঙা
সবুজাভ মাছরাঙা, ছবিঃ সংগ্রহ

সবুজাভ মাছরাঙা আমাদের স্থানীয় প্রজাতি। সুন্দরবনে ও তার আশেপাশে গ্রামে-গঞ্জে সবচেয়ে বড় দল বাস করে। প্রজাতিটি লোনাপানির অঞ্চলের বাইরে অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। টেকনাফের নাফ নদির পাড় থেকে দেশের সারা দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল হয়ে সুন্দরবন পর্যন্ত বিস্তৃত। একমাত্র প্রজাতি যার রঙে নির্ভেজাল নীল নেই বললেই চলে। দেহ সবুজ। যার উপরে কেবল নীলের আভা দেখা যায়।

সবুজাভ মাছরাঙা, ছবিঃ জোবায়ের রায়হান (নিঝুম দ্বীপ এলাকা থেকে তোলা)
সবুজাভ মাছরাঙা, ছবিঃ জোবায়ের রায়হান (নিঝুম দ্বীপ এলাকা থেকে তোলা)

ঘাড়ের বন্ধনী সাদা যা মিশেছে থুতনি থেকে লেজের নিচের ঢাকনি পালকের সাদার সাথে; ছোট সাদা ভ্রুরু চোখ থেকে কেবল ঠোঁটের গোড়া পর্যন্ত বিস্তৃত; ঠোঁট প্রায় কালো তবে কখনো হাল্কা রঙের হতে পারে; চোখ গাঢ় বা কালচে এবং পা ও পাতা ঝুল-রঙের; স্ত্রী-পুরুষ দেখতে একই রকম; সাধারণত একা দেখা গেলেও জোড়ার অন্যটি ধারে কাছেই থাকতে পারে; পানি এবং ডাঙা উভয় জায়গা থেকেই সমভাবে খাবার ধরে খেতে পারে; কাজেই মাছ ছাড়াও  কাঁকড়া এবং অপরাপর ছোটখাটো অমেরুদণ্ডী প্রাণী এদের খাবার মেনুতে থাকে। খেক খেক খেক শব্দ করে বেশ জোরে জোরে ডাকে। প্রজনন ঋতুতে ডাকের পরিমান খুব বেড়ে যায়; বাসা বানানোর স্বভাব অন্যদের মত। দৈর্ঘ্য ২৪ সে. মি.

তথ্যসুত্রঃ বাংলাদেশের পাখি; রেজা খান, বাংলা একাডেমী। ছবিঃ ১. সংগ্রহ ২. জোবায়ের রায়হান (নিঝুম দ্বীপ থেকে তোলা)